চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে কর–পরবর্তী মুনাফা করেছে ৩৫ কোটি টাকা আইডিএলসি ফাইন্যান্স। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ব্যাংকবহির্ভূত এই আর্থিক প্রতিষ্ঠানটির মুনাফা এক কোটি টাকা বেড়েছে। গত বছরের প্রথম ৩ মাসে প্রতিষ্ঠানটি মুনাফা করেছিল ৩৪ কোটি টাকা।
শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি হিসেবে আইডিএলসি আজ সোমবার চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকের যে আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, সেখান থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে। প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মাধ্যমে শেয়ারধারীদের মুনাফা এ তথ্য জানিয়েছে কোম্পানিটি।
আর্থিক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটি গত বছরের একই সময়ে তুলনায় ভালো ব্যবসা করেছে। এ সময়ে কোম্পানিটির সুদ আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি বিনিয়োগের বিপরীতেও ভালো আয় করেছে। আবার ঋণের বিপরীতে নিরাপত্তা সঞ্চিতি বা প্রভিশনিংও কমেছে। এতে প্রতিষ্ঠানটির আয় গত বছরের একই সময়ের চেয়ে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে। কিন্তু কর বাবদ খরচ বেড়ে যাওয়ায় আয়ের তুলনায় মুনাফা ততটা বাড়েনি।
আর্থিক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে আইডিএলসি ঋণের সুদ বাবদ ৩৩৪ কোটি টাকা আয় করেছে। গত বছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ২৯৯ কোটি টাকা। সেই হিসাবে ১ বছরের ব্যবধানে প্রতিষ্ঠানটির সুদ বাবদ আয় ৩৫ কোটি টাকা বা প্রায় ১২ শতাংশ বেড়েছে। সুদ আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি আমানত ও ঋণের বিপরীতে সুদ পরিশোধও বেড়েছে। গত জানুয়ারি–মার্চ সময়কালে প্রতিষ্ঠানটি আমানত ও ঋণের সুদ বাবদ পরিশোধ করেছে ২০৬ কোটি টাকা। গত বছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ১৭৩ কোটি টাকা। সেই হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে এ খাতে আইডিএলসির খরচ বেড়েছে ৩৩ কোটি টাকা।
সাধারণত ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যক্তি আমানতের পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক আমানত ও ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে বেশি সুদে তা বিতরণের মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনা করে। এ কারণে ব্যাংকের তুলনায় ঋণ ও...
চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে ২৬৭ কোটি টাকার জুতা বিক্রি করেছে বহুজাতিক কোম্পানি বাটা শু। জুতার বাইরে কোম্পানিটি প্রায় ১৩ কোটি টাকার অন্যান্য সরঞ্জাম বা অ্যাকসেসরিজ বিক্রি করেছে। সব মিলিয়ে এ তিন মাসে জুতা ও অ্যাকসেসরিজ বিক্রি করে ২৮০ কোটি টাকা আয় করেছে বাটা শু।
তিন মাসের ব্যবসা বা আয় বিবেচনায় গত ১০ বছরের মধ্যে বাটা শু সর্বোচ্চ ব্যবসা করেছে চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে। এমনকি তিন মাসের বিবেচনায় গত ১০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ মুনাফাও করেছে চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে। উল্লেখিত সময়ে কোম্পানিটি মুনাফা করেছে ১৮ কোটি টাকা। গত বছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ১৪ কোটি টাকা। সেই হিসাবে কোম্পানিটির মুনাফা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩৫ শতাংশ বা পৌনে ৫ কোটি টাকা বেড়েছে।
শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি হিসেবে বাটা শু গতকাল মঙ্গলবার তাদের চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকের (জানুয়ারি-মার্চ) যে আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, সেখান থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে। কোম্পানিটির ওয়েবসাইটের পাশাপাশি আর্থিক প্রতিবেদনের এ তথ্য স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদেরও জানিয়েছে কোম্পানিটি।
আর্থিক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে বাটা শু গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৩৪ কোটি টাকার বেশি জুতা বিক্রি করেছে। পাশাপাশি অ্যাকসেসরিজ বিক্রিও বেড়েছে প্রায় দেড় কোটি টাকার। গত বছরের প্রথম তিন মাসে বাটা শু ২৩৩ কোটি টাকার জুতা বিক্রি করেছিল। আর অ্যাকসেসরিজ সামগ্রী বিক্রি করেছিল ১১ কোটি ৩৪ লাখ টাকার। গত বছরের চেয়ে এ বছর জুতা ও অ্যাকসেসরিজ বিক্রি বৃদ্ধির জন্য চারটি কারণের কথা জানিয়েছে কোম্পানিটি। বাটা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জানুয়ারি-মার্চ সময়ে স্কুল খোলা থাকায় স্কুলের জন্য ব্যবহৃত জুতা বিক্রি বেড়েছে। এ ছাড়া শীত মৌসুম ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাড়তি বিক্রির সুবিধাও এ সময়ের মধ্যে পেয়েছে...
চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে (জানুয়ারি-মার্চ) ১ কোটি ৮৩ লাখ টাকা কর–পরবর্তী মুনাফা করেছে ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইপিডিসি ফাইন্যান্স। গত বছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ১ কোটি ৫১ লাখ টাকা। সেই হিসাবে গত বছরের চেয়ে এ বছরের প্রথম তিন মাসে আর্থিক প্রতিষ্ঠানটির মুনাফা ৩২ লাখ টাকা বা ২১ শতাংশ বেড়েছে।আইপিডিসি ফাইন্যান্স আজ রোববার প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মাধ্যমে তাদের মুনাফার এ তথ্য বিনিয়োগকারীদের জানিয়েছে। পাশাপাশি তারা চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদনের তথ্যও প্রকাশ করেছে। ওই আর্থিক প্রতিবেদন থেকে মুনাফার এ তথ্য পাওয়া গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, কোম্পানিটির পরিচালন আয় কমে যাওয়ার পরও মুনাফা বেড়েছে মূলত ঋণের বিপরীতে নিরাপত্তা সঞ্চিতি বা প্রভিশনিং কমে যাওয়ায়। চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে আইপিডিসি ফাইন্যান্স তাদের ঋণের বিপরীতে প্রভিশনিং করেছে ১৮ কোটি ২২ লাখ টাকা। গত বছরের একই সময়ে প্রভিশনিংয়ের পরিমাণ ছিল সাড়ে ২৩ কোটি টাকা। সেই হিসাবে এ বছর কোম্পানিটির প্রভিশনিং বাবদ খরচ কমেছে সোয়া ৫ কোটি টাকার বেশি। এ কারণে মুনাফা বেড়েছে।
আর্থিক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে আইপিডিসির পরিচালন আয় ছিল ৬৬ কোটি টাকা। গত বছরের একই সময়ে যা ছিল ৭১ কোটি টাকা। কোম্পানিটির আমানত ও ঋণের সুদ পরিশোধ বাবদ খরচ বেড়ে যাওয়ায় পরিচালন আয় কমে গেছে। গত জানুয়ারি-মার্চ সময়ে আইপিডিসি আমানত ও ঋণের সুদ বাবদ পরিশোধ করেছে ১৪৮ কোটি টাকা। গত বছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ১১৩ কোটি টাকা। সেই হিসাবে গত বছরের চেয়ে এই খাতে প্রতিষ্ঠানটির খরচ বেড়েছে প্রায় ৩৫ কোটি টাকা। গত জুলাই থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক ঋণের বেঁধে দেওয়া সুদহার তুলে নেয়। এতে আর্থিক খাতে ঋণের সুদ বেড়ে যায়। ঋণের সুদ...
কয়েক বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন দামে ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর শেয়ার।
গ্রামীণফোন, স্কয়ার ফার্মা, রেনেটা, লাফার্জহোলসিম, বীকন ফার্মা ও পূবালী ব্যাংকের শেয়ারের দাম দুই বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।
ভালো মৌলভিত্তির ১০ কোম্পানির শেয়ারের দরপতনে সূচক কমেছে ৩০ পয়েন্ট।
আবারও বড় ধরনের দরপতন চলছে দেশের শেয়ারবাজারে। গত দুই দিনে লেনদেন হওয়া বেশির ভাগ শেয়ারেরই দাম কমেছে। তাতে অনিবার্যভাবে সূচক যেমন কমেছে, তেমনি লেনদেন কমে আবারও ৫০০ কোটি টাকার কাছাকাছি নেমে এসেছে।
গতকাল বুধবার দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৫৮ পয়েন্ট বা ১ শতাংশ কমেছে। এ নিয়ে গত দুই দিনে এ সূচকের ১৪০ পয়েন্ট বা প্রায় আড়াই শতাংশ পতন হয়েছে। তাতে সূচকটি কমে ৫ হাজার ৫২৭ পয়েন্টে নেমে গেছে। গত ২৫ এপ্রিলের পর এটিই ডিএসইএক্স সূচকের সর্বনিম্ন অবস্থান।
অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক গতকাল ১০৫ পয়েন্ট বা পৌনে ১ শতাংশের মতো কমেছে। তবে চট্টগ্রামের বাজারে ঢাকার মতো লেনদেনে বড় পতন ঘটেনি।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমে যেখানে নেমেছে (সাড়ে ৫ হাজার পয়েন্ট) সেটিকে একটি মনস্তাত্ত্বিক সীমাও বলা যায়। সাধারণত শেয়ারসূচক এ ধরনের মনস্তাত্ত্বিক সীমার নিচে বা আশপাশে নেমে এলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন করে ভীতি দেখা দেয়। আতঙ্কে তাঁদের মধ্যে শেয়ার বিক্রি করে বাজার ছেড়ে যাওয়ার প্রবণতা বেড়ে যায়। তখন ভালোমন্দ–নির্বিশেষে হাতে থাকা সব শেয়ার বিক্রি করে দেন অনেক বিনিয়োগকারী।
গতকালও বিনিয়োগকারীদের ভালো শেয়ার বিক্রি করে দেওয়ার প্রবণতা দেখা গেছে। যে কারণে এদিন ভালো মৌলভিত্তির শেয়ারের দাম উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। শীর্ষস্থানীয় ব্রোকারেজ হাউস লংকাবাংলা সিকিউরিটিজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঢাকার বাজারে গতকাল সূচকের বড় পতনের পেছনে বড় ভূমিকা ছিল বহুজাতিক কোম্পানি ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো, রেনেটা, লাফার্জহোলসিম সিমেন্ট ও গ্রামীণফোনসহ স্থানীয় স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, বীকন...
শেয়ারবাজারের টানা পতনে বাজার ছাড়ছেন বিনিয়োগকারীরা। গত সপ্তাহের ৫ কার্যদিবসে আরও ২ হাজার ১৮৮ জন বিনিয়োগকারী তাঁদের হাতে থাকা সব শেয়ার বিক্রি করে বাজার ছেড়েছেন। তার বিপরীতে অবশ্য গত সপ্তাহে ২ হাজার ১২৬ জন বিনিয়োগকারী নতুন করে বাজারে যুক্ত হয়েছেন। ফলে যত বিনিয়োগকারী বাজার ছেড়েছেন, তার সমপরিমাণ বিনিয়োগকারী নতুন করে বিও (বেনিফিশিয়ারি ওনার্স) হিসাব খুলে বাজারে যুক্ত হয়েছেন।
এর আগের সপ্তাহের ৫ কার্যদিবসে ৫ হাজার ৩৫৫ জন বিনিয়োগকারী তাঁদের হাতে থাকা সব শেয়ার বিক্রি করে বাজার ছেড়েছিলেন। সেই তুলনায় গত সপ্তাহে বাজার ছেড়ে যাওয়া বিনিয়োগকারীর সংখ্যা কমে অর্ধেকে নেমেছে।
শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাব ও স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে শেয়ার ধারণকারী প্রতিষ্ঠান সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড বা সিডিবিএলের তথ্য থেকে এ চিত্র পাওয়া গেছে। সিডিবিএলের তথ্য অনুযায়ী, গত সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে শেয়ারবাজারে শেয়ারশূন্য বিও হিসাবের সংখ্যা ছিল ৩ লাখ ৭৪ হাজার ৭৫০টি। সপ্তাহ শেষে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৭৬ হাজার ৯৩৮টিতে। অর্থাৎ সপ্তাহের ৫ কার্যদিবসে ২ হাজার ১৮৮ জন বিনিয়োগকারী তাঁদের হাতে থাকা সব শেয়ার বিক্রি করে দিয়েছেন।
শেয়ারশূন্য বিও হিসাবের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় কমেছে শেয়ারসহ বিও হিসাবের সংখ্যা। গত সপ্তাহ শেষে শেয়ারবাজারে সক্রিয় তথা শেয়ারসহ বিও হিসাবের সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ১৩ লাখ ৩৫ হাজার ১৫২টিতে। আগের সপ্তাহে শেয়ারসহ বিও হিসাবের সংখ্যা ছিল ১৩ লাখ ৩৭ হাজার ৪৫৫টিতে। শেয়ারবাজারে যেসব বিও হিসাবে শেয়ার থাকে, সেগুলোকেই মূলত সক্রিয় বিও হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
বাজার–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, শেয়ারবাজারে টানা দরপতন চলতে থাকায় বাজার ছেড়ে যাওয়া বিনিয়োগকারীর সংখ্যা বাড়ছে। গত সপ্তাহের পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে চার দিনই বাজারে সূচক কমেছে। দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স গত সপ্তাহ শেষে ১৪৪ পয়েন্ট বা প্রায় আড়াই শতাংশ...