বৃহস্পতিবার, মে ২৬, ২০২২

মেঘনা পেট ও কনডেন্সড মিল্কের বিরুদ্ধে বিএসইসির তদন্ত কমিটিঃ প্রতিবেদন ৩০ দিনে

পুঁজিবাজার রিপোর্টঃ পুঁজিবাজারে খাদ্য ও আনুসঙ্গিক খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি মেঘনা পেট ইন্ডাস্ট্রিজ ও মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক ইন্ডাস্ট্রিজের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

মঙ্গলবার (৫ এপ্রিল) এ সংক্রান্ত আদেশে জারি করা হয়েছে বলে বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে।

সম্প্রতি দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কোম্পানি দুটি পরিদর্শন করেছে এবং এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন বিএসইসিতে দাখিল করেছে। ওই প্রতিবেদনের আলোকে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। গঠিত কমিটিকে আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে এ সংক্রান্ত তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।

বিএসইসি’র গঠিত তদন্ত কমিটির সদস্যরা হলেন— বিএসইসির যুগ্ম পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম, উপ-পরিচালক শাহারিয়ার পারভেজ, সহকারী পরিচালক মো. মিনহাজ বিন সেলিম ও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপক মো. রাসেল রহমান।

বিএসইসি’র জারি করা আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, ডিএসইর দাখিল করা পরিদর্শন প্রতিবেদনের আলোলোকে বিএসইসি মনে করে, পেট ইন্ডাস্ট্রিজ ও মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক ইন্ডাস্ট্রিজে বিরুদ্ধে তদন্ত করা প্রয়োজন। তাই, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অর্ডিন্যান্স, ১৯৬৯ (১৯৬৯ সালের অধ্যাদেশ নং XVII) এর ২১ ধারা এবং বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন, ১৯৯৩ এর ১৭ক ধারা অনুযায়ী কোম্পানি দুটির বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করা হলো। তদন্ত কমিটিতে বিএসইসি ও ডিএসইর কর্মকর্তাদের অন্তর্ভুক্ত করা হলো। তদন্ত কর্মকর্তারা এ আদেশ জারির ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে বিএসইসর কাছে একটি প্রতিবেদন জমা দেবেন।

বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, ‘মেঘনা পেট ইন্ডাস্ট্রিজ ও মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক ইন্ডাস্ট্রিজে বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সিকিউরিটিজ আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

২০০১ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া মেঘনা কনডেন্সড মিল্কের অনুমোদিত মূলধন ৮০ কোটি টাকা ও পরিশোধিত মূলধন ১৬ কোটি টাকা। এর বিপরীতে কোম্পানিটিতে পুঞ্জীভূত লোকসান রয়েছে ১১১ কোটি ২৭ লাখ টাকা।

কোম্পানিটির মোট ১ কোটি ৬০ লাখ শেয়ারের মধ্যে পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ৫০ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৫০ শতাংশ। অন্যদিকে ২০০১ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া মেঘনা পেটের অনুমোদিত মূলধন ৩০ কোটি টাকা ও পরিশোধিত মূলধন ১২ কোটি টাকা।

এর বিপরীতে কোম্পানিটিতে পুঞ্জীভূত লোকসান রয়েছে ১৭ কোটি ৬ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট ১ কোটি ২০ লাখ শেয়ারের মধ্যে পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে ৫০ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৫০ শতাংশ।

spot_img

অন্যান্য সংবাদ